
সাধারণত মানুষের মধ্যে সুপ্ত ভাবে বিদ্যমান থাকে তার কামনার বীজ যা স্থূল, সূক্ষ্ম বা সূক্ষ্মতর যে কোন অবস্থাতেই হোক না কেন তা তার নিজস্ব ভাব হিসেবে ক্রিয়া করে।
প্রথমত, এই নিজস্ব ভাব যখন উপলব্ধিতে আসে, প্রকৃতপক্ষে সেই ভাব কর্মের প্রেরণা জোগায় এবং সেই কর্ম করায় সে মানসিক আনন্দ অনুভব করে।
অর্থাৎ সেই কর্মের কামনার বীজ তার ভেতরে অপূর্ণ ভাবে ছিল, যার পূর্ণতার জন্যই আবার তার জন্মের প্রশ্ন এসেছে। কামনার পূর্ণতা হলে তবেই ঈশ্বর উপলব্ধির পথ সুগম হয়। তাই নিজস্ব ভাব উপলব্ধি করা একান্ত প্রয়োজন।
দ্বিতীয়ত, নিজস্ব ভাব স্থূল, সূক্ষ্ম বা সূক্ষ্মতর যে অবস্থাতেই থাকুক না কেন, তাকে কর্মের মাধ্যমে প্রকাশ ঘটাতে প্রয়োজন সচেতনতার, চিন্তনের ও মননের যা ব্যক্তির চেতনার বিকাশ ঘটায়।
তৃতীয়ত, ব্যক্তির বিভিন্ন গুণের প্রকাশ তার পূর্ণতা নয়, গুণ শুধু মাত্র প্রকৃতিগত ভাবের প্রকাশ। ভাল-মন্দ সমস্ত গুনের উর্ধে যে দ্রষ্টা ভাব, তা অনুভব করা একমাত্র সম্ভব ব্যক্তির সমস্ত কামনার পূর্ণতায়।
সেই পূর্ণতা তখনই আসা সম্ভব যখন নিজস্ব ভাব উপলব্ধি করে চেতনার বিকাশের দ্বারা সমগ্রতাকে অনুভব করতে পারবে।